অত্যাধুনিক ট্যাংক মারকাভা দিয়েও ঠেকাতে পারছেনা হামাস যুদ্ধাদের! যে কোন সময় যুদ্ধ বিরতি

0
5

জি নিউজ,আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
আব্রামস, লিওপার্ড, চ্যালেঞ্জার এবং টি-৯০ ট্যাংকের মতোই বিশ্বসেরা অত্যাধুনিক ট্যাংক মারকাভা। তবে দখলদার হানাদার বাহিনী তাদের হাতে থাকা মারকাভাকেই বর্তমান বিশ্বের সেরা ট্যাংক হিসেবে বিবেচিত করে। প্রতিটি ট্যাংকের ওজন ৬৫ টন। কী নেই তাতে! সবই আছে। শত্রুকে ঘায়েল করার শতভাগ সক্ষমতা নিয়েই ৬৫ কিলোমিটার গতিবেগে মাটি কামড়ে এগিয়ে চলে শক্তিশালী মারকাভা।

এতে রয়েছে শক্তিশালী সেন্সর, ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ক্যামেরা, ১২০ মি.মি. কামান, ১২.৭ মি.মি. হেভি মেশিনগান, ৭.৬২ মি.মি. সাধারণ মেশিনগান, মিশাইল লাঞ্চার এবং আইরন ডোমের মতো ছোটখাটো প্রটেক্টিভ সিস্টেম ‘ট্রফি’। ইঞ্জিনের ক্ষমতা কতটুকু জানেন? ১৫০০ হর্সপাওয়ার। দামের কথা আর কিইবা বলব! প্রতিটির মূল্য ৩.৫ মিলিয়ন ডলার। এই মারাকাভাকে বলা হয় আইডিএফের মেরুদণ্ড। এটিই তাদেরকে স্থল অভিযানে নামার উৎসাহ যোগাচ্ছে বেশ। যাদের হাতে এমন অত্যাধুনিক এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ৬০০ ট্যাংক রয়েছে তারা তো ধরতে গেলে নিরস্ত্র একটা গোষ্ঠীকে এক সকালেই কাবু করে ফেলতে পারে। সেই চিন্তা থেকেই তো তাদের এই অভিযান। মারাকাভ-হাম্ভী নিয়ে যাবে, একটা চক্কর দেবে তারপর বিজয়ী হয়ে দেশে ফিরে যাবে—এমন সরল হিসাব করেই কিন্তু তারা নেমেছিল। প্রচণ্ড প্রতিরোধে হিসাবের সেই খাতা হারিয়ে আজ তারা পাগলপ্রায়, দিশেহারা, উদ্ভ্রান্ত এবং দ্বিধাগ্রস্ত। অজুহাত খুঁজছে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার।

৩২ দিন শেষ। এখন পর্যন্ত মূল প্রতিপক্ষকে দুর্বল করতে পারেনি। উপর্যুপরি আক্রমণ এবং অসম্ভব প্রতিরোধে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী। তাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি মুক্তিকামী দলের হাতে বানানো সাধারণ অস্ত্রকে ডিটেক্ট করতে পারছে না। এ-যেন আইফোন থেকে বাটনফোনে ফাইল ট্রান্সফারের চেষ্টা। সব বৃথা চেষ্টা।

তাদের হাতে ৩.৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের মারকাভা আছে সর্বমোট ৬০০টি। ইতোমধ্যে খতম করে দেওয়া হয়েছে শতাধিক। একদিনেই শেষ করা হয়েছে ২৪টি। মুক্তিকামী মানুষগুলো হোম-মেইড যে অস্ত্র দিয়ে ৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের মারকাভা ধ্বংস করেন সেগুলোর এক একটা বানাতে খরচ পড়েছে ৫০০ থেকে ২০০০ ডলার। আপনাদের কাছে এটা বিজয় না হলে কোনটা বিজয়?

আর কয়েকদিন থাকলে মারকাভার স্টক শেষের দিকে চলে যাবে। তখন যেকোনো অজুহাতে যুদ্ধবিরতি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো উপায় থাকবে? তারা যখনই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেবে তখনই মনে করবেন ওদের পরাজয় সুনিশ্চিত। তারা মানবাধিকারের দিকে তাকিয়ে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করবে না, অস্ত্র-সৈন্যের চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েই ভেগে যাবে। পরবর্তীতে এটার নাম দেবে যুদ্ধবিরতি। মাত্র এক মাসেই ওদের অবস্থা “ছেড়ে দে মা, কাইন্দা বাঁচি”। আরেকটু দীর্ঘ হলে ওদেরকে খুঁজে পাবেন না ময়দানে। চোরের মতো শুধু আকাশ থেকে ফেলবে অস্ত্র।

ইনশাআল্লাহ আল-আকসা দখলদারদ ইসরায়েলের কব্জা থেকে মুক্ত হবেই।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন