আহসান উল্লাহ মাষ্টারের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

0
9

গাজীপুরঃ গাজীপুরের জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা সাবেক এমপি ও বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপির পিতা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি’র ১৭তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ।

২০০৪ সালের ৭ মে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী নোয়াগাঁও এম এ মজিদ স্কুল মাঠে জনসভা চলাকালে জুমা আজানের ঠিক পূর্ব মূহুর্তে প্রকাশ্যে দিবালোকে আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপিকে গুলি করে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মতিউর রহমান মতি বাদী হয়ে টঙ্গী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এই হত্যা মামলার রায়ে ২০০৫ সালের ১৬ মে ২২ জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্ট ডিভিশন আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, জেল আপীল ও আবেদনের শুনানী শেষে ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে ১১ জনকে খালাস দেয় আদালত। বিচার চলাকালে ২ আসামীর মৃত্যু হওয়ায় তাদের আপীল নিষ্পত্তি করে দেয়া হয়। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামির কোন আপিল না থাকায় তার পূর্বের রায়ই বহাল রাখা হয়।

হত্যাকাণ্ডের ১৭ বছরেও খুনিদের বিচারের রায় কার্যকর না হওয়ায় হতাশ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মী, স্বজন ও এলাকাবাসী। তারা আদালতের দেয়া ফাঁসির রায় অবিলম্বে কার্যকর দেখতে চান।

উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালের ৯ নভেম্বর গাজীপুরের সাবেক পূবাইল ইউনিয়নের হায়দরাবাদ গ্রামে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা শাহ্ সুফি আলহাজ আব্দুল কাদের, মা বেগম রুসমুতুন্নেছা। তিনি গাজীপুর-২ (গাজীপুর সদর, টঙ্গী) আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে পর পর দুবার আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে দুই দফা পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এ ছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য, শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীন হওয়ার পর একদিকে শিক্ষক অন্যদিকে রাজনীতি ও সমাজসেবায় আমৃত্যু নিয়োজিত ছিলেন।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন