কক্সবাজারে লুকিয়ে থাকা অজানা ১ দার্জিলিং

0
25

মাতামুহুরী নদীর দুই পাশে উঁচু–নিচু পর্বতসারি, শীতের ঘনকুয়াশায় ঢাকা মেঘমালা। একটু দূরত্বে দেখা মেলে শ্বেতপাথরের বুক চিরে ছলাৎ ছলাৎ শব্দে ঝরনার রক্তক্ষরণ। স্বচ্ছ-নীল জলের নদীতে ডিঙি নৌকায় ভাসতে ভাসতে আপনার মনে হবে এ এক অন্য রকম দার্জিলিং। যেখানে একসঙ্গে নীল জলরাশি, সবুজ পাহাড় আর সাদা মেঘমালার মিলনমেলা।

বলছিলাম, কক্সবাজারের ভেতরে লুকিয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন রূপ–লাবণ্যে ভরা এক লীলাভূমির কথা। জায়গাটিতে একবার যাঁদের পা পড়েছে, তাঁদের অনেকের মুখে দার্জিলিংয়ের তুলনা। এখন বিপুল পর্যটক টানছে অচেনা এই দার্জিলিং।

যদি বলি, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের রানী কক্সবাজারে কী নেই। একটু ভেবে নিয়ে বলতে হবে, সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতির সবটুকু ঢেলে দিয়েছেন এখানে। প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন, আন্তর্জাতিক নদী নাফ, নাফ নদীর বুকে জালিয়ারদিয়ায় ট্যুরিজম পার্ক, মগ জমিদারকন্যা মাথিনের সঙ্গে সাহিত্যিক ধীরাজ ভট্টাচার্যের ঐতিহাসিক প্রেমকাহিনির মাথিনকূপ, গহিন বনের নেচার পার্ক, শতবর্ষী প্রাকৃতিক কুদুমগুহা, পাথুরে সৈকত ইনানী, কানা রাজার সুড়ঙ্গ, বৌদ্ধপল্লি, শুঁটকি মহাল, লবণমাঠ, সাফারি পার্ক, সাগরতলের রহস্যভরা ফিস ওয়ার্ল্ড অ্যাকুরিয়ামসহ দর্শনীয় কত কিছু। এখন কক্সবাজারের পর্যটনের আরেক সম্ভাবনা ‘নিভৃতে নিসর্গ পার্ক’।

মাতামুহুরী, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার চারটি উপজেলার অন্তত সাত লাখ মানুষের ভাগ্যবদলের আধার
মাতামুহুরী, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার চারটি উপজেলার অন্তত সাত লাখ মানুষের ভাগ্যবদলের আধার ছবি: প্রথম আলো
পার্কটির অবস্থান কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে, চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। এখান থেকে দক্ষিণ দিকে কিছু দূর গেলে চোখে পড়বে পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলা। লামার মিরিনজা পর্যটনপল্লির উঁচু পাহাড়চূড়ায় আছে ইট-পাথরে নির্মিত বিশাল টাইটানিক জাহাজ। সেই জাহাজে দাঁড়িয়ে দেখা মেলে সুদূরের কক্সবাজার সৈকত, বঙ্গোপসাগর আর মহেশখালী চ্যানেলের

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন