কাপাসিয়ায় মডিউল পল্লী হাসপাতালে ডাক্তার রুহুল আমিনের নামে ধোকা

0
13

তাওহীদ হোসেন (গাজীপুর) কাপাসিয়া:গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদের পাসে এবং কাপাসিয়া থানার গেটের সামনেই মডিউল পল্লী হাসপাতালের চেম্বারে সাইনবোর্ডে এক ডাক্তারের নাম লিখে অন্য ডাক্তার বসিয়ে সেবা গ্রহীতাদের দেয়া হচ্ছে চিকিৎসার নামে ধোকা। খবর পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিললো এমনই বাস্তবতা।

নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলি নিশ্চিত করার রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আর সে দায়িত্ব পালন করতে পারলেই হবে প্রকৃত উন্নয়নশীল দেশে।
খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থান,শিক্ষা,চিকিৎসা এই ৫ টি অধিকারের মধ্যে চিকিৎসা বিষয়টি একটু অন্যরকম,চিকিৎসার জন্য সরকারী ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোও দেশের মানুষের চিকিৎসায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখলেও অনেকে আবার এটাকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে চিকিৎসার নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
মহামারি করোনা ভাইরাস আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার অনেকটা বাস্তবতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।রিজেন্ট হাসপাতালের কয়েক বছর ধরে লাইসেন্স নবায়ন না করার পরেও করোনা টেষ্ট করার অনুমতি পেয়ে যায়।অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসছে বিভিন্ন হাসপাতালের অনিয়ম দূর্নীতি। তারই সুত্রে,রিজেন্টের এমডি মাসুদ পারভেজের বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়া হওয়ায় কাপাসিয়ার কোন হাসপাতাল বা হাসপাতাল মালিকের সাথে মাসুদ পারভেজের সখ্যতা ছিলো কিনা অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেড়িয়ে আসে নানা অজানা তথ্য। কাপাসিয়া হাসপাতালের চিত্র জানতে চোখ রাখুন G-news24.com এ। এখানে তুলে ধরছি
মডিউল পল্লী হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সার্বিক অবস্থা।
কাপাসিয়ার প্রাণ কেন্দ্রে থানার মোড় সংলগ্নে অবস্থিত এ হাসপাতালটিতে অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদেরকে চিকিৎসার নামে দেওয়া হচ্ছে ধোকা।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেজিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু সার্জারী বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ মোঃ রুহুল আমিনের নামে চেম্বারে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বসে আছেন অন্য কোন লোক, তার কাছে জানতে চাইলে বলেন যে আমি ডাক্তার রুহুল আমিন না এমনিতেই বসে বসে ফেইসবুক চালাই তখন প্রশ্ন ছিলো আপনি দেশের একজন নামি-দামি গুরুত্বপূর্ণ ডাক্তারের নামে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বসে ফেইসবুক চালান এটা কেমন বিষয়!? তখন উনি নিজেকে হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তার পরিচয় দেয়, প্রশ্ন ছিলো একজন গুরুত্বপূর্ণ ডাক্তারের নাম ভাঙ্গিয়ে সেবা গ্রহীতাদের সাথে এমন প্রতারণামূলক কাজ করা ঠিক কি না? তখন উনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।
কেন তিনি ডাঃ মোঃ রুহুল আমিনের চেম্বারে বসে ডাঃমোঃ রুহুল আমিন সেজে চিকিৎসা দিচ্ছেন হাসপাতালের অন্যান্নরাওও তার কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেনি।

তবে লোক মুখে জানা যায় এ হাসপাতালটির মালিকও ডাঃ মোঃ রুহুল আমিন।পরে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলেও পাওয়া যায়নি মালিক বা কোন পরিচালককে। আমাদের কোন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও দেখাতে পারেননি হাসপাতালে কর্মরত কেউই।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন