গাজীপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত কামুর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি কেটেছে

0
43

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার উলুখোলা-রায়েরদিয়া গ্রামে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে কামু নিহত হন। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে জয়দেবপুর থানায় মামলা হয়েছে।‘বন্দুকযুদ্ধে নিহত কামুর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি কেটে গেছে।

শুক্রবার সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল কামু টঙ্গীর এরশাদ নগর এলাকার ২২ মামলার আসামি কামরুল ইসলাম কামু। এ কামু এখন কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন।

শুক্রবার রাতে মর্গে লাশটি দেখে আছমা বেগম নামে এক নারী সেটি তার স্বামী কামাল খান কামুর বলে শনাক্ত করেন।

আছমা আরও বলেন, বৃহস্পতিবার সারা দিন স্বামীর খোঁজখবর করেও পাইনি। এলাকাবাসীর মাধ্যমে বন্দুকযুদ্ধের খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে মর্গে গিয়ে স্বামীর লাশ দেখতে পাই।তিনি বলেন,টঙ্গীর এরশাদ নগরে তারা কখনও থাকেননি। এক সময় টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুরের বৌ বাজারে তারা থাকতেন। কামু সেখানকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। ৬ মাস আগে গাইনীপাড়ায় প্রবাসী রুবেলের বাসা ভাড়া নেন তারা। বাবার বাড়ি থেকে উত্তরাধিকারের অংশের টাকা এনে দিলে তার স্বামী বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেন।৮ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছে। তার স্বামীর নামে কোনো মামলা-মোকদ্দমা ছিল না।

শুক্রবার বিকালে ডিবি পুলিশ কামুর নামের সংশোধনী দেয়। তার বাবার নামেও সংশোধনী আনে। বলা হয় নিহত ব্যক্তির নাম কামাল খান ওরফে কামু।তার বাবার নাম সিরাজ খাঁন। বর্তমান ঠিকানা গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার উলুখোলা-রায়েরদিয়া এলাকার গাইনীপাড়ায়।

গাজীপুর (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক ডেরিক স্টিফেন কুইয়া জানান, নিহত কামুর পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র তার কাছে রয়েছে। সেখানে কামাল খান কামু, পিতা মৃত সিরাজ খান ও ঠিকানা টঙ্গীর আরিচপুর লেখা আছে। তিনি কালীগঞ্জের উলুখোলা নগরভেলা এলাকায় বসবাস করেন। তার নামে মাদকসহ তিনটি মামলা রয়েছে। হাসপাতাল মর্গ থেকে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাতে কামুর মা তার মরদেহ নিয়ে গেছেন। তবে টঙ্গীর আরিচপুর কিংবা কালীগঞ্জের উলুখোলায় এ নামে কোনো মরদেহ নেয়া হয়নি।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন