ঘোড়াঘাটে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে

0
15

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে মুমূর্ষু অবস্থায় রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরবর্তী অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় ৩ সেপ্টেম্বর সকালে তাকে ঢাকায় পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঘোড়াঘাটে নিজ ঘরে তার বাবা ওমর আলী ও ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে কুপিয়ে জখম করে এক যুবক। পরে গুরুতর অবস্থায় তাদের সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রংপুরে নেওয়া হয়।

হামলার শিকার ওই নির্বাহী কর্মকর্তার বাবা নওগাঁ থেকে মাঝে মাঝে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। বুধবার রাতে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবা ও তার মেয়ে।

ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম বলেছেন, বাড়ির পেছনে ভাঙা ভেন্টিলেটর দিয়ে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে। এ কাজে তারা একটি মই ব্যবহার করে। বাড়ির পেছনে মইটি পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম জানান, আনুমানিক রাত ৩টার দিকে ঘরের ভেন্টিলেটর দিয়ে এক যুবক ঘরে প্রবেশ করে। প্রথমে ওই যুবক তার বাবাকে আহত করে পাশের ঘরে আটকে রাখে। পরে ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলা চালায়। এলোপাতাড়িভাবে তাকেও কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

মূলত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা জেলা প্রশাসকের।

ওয়াহিদা খানমের স্বামী মো. মেজবাউল হোসেন রংপুরের পীরগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, অবস্থার বেশি অবনতি হলে ইউএনওকে ঢাকায় নেওয়া হতে পারে।

বার্তা ২৪।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন