নিখোঁজের ৫দিন পর অচেতন অবস্থায় এক কৃষকে উদ্ধার,মারা গেলেন হাসপাতালে

0
1

নিখোঁজের ৫দিন পর অচেতন অবস্থায় এক কৃষকে উদ্ধার
মারা গেলেন হাসপাতালে

মোঃ শহিদুল ইসলাম শাওন, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

আমতলী উপজেলার ডালাচারা গ্রামের জহিরুল ইসলাম (৪২) নামে এক কৃষক নিখোঁজের ৫দিন পর সোমবার সকালে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পর মঙ্গলবার সকালে পটুয়াখালী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। জহিরুল ইসলাম পটুয়াখালী জেলার বিঘাই ইউনিয়নের তিতকাটা গ্রামের চান মিয়া খানের ছেলে। সে ১৩ বছর ধরে আমতলীর ডালাচারা গ্রামের শ্বশুর সেকান্দার হাওলাদারের বাড়ীতে থাকতেন। ১৮ জানুয়ারি আমতলী বাজারে গরু কিনতে এসে নিখোঁজ হন জহিরুল।
জানা গেছে, পটুয়াখালীর বড় বিঘাই ইউনিয়নের তীতকাটা গ্রামের বাসিন্দা চান মিয়া খানের ছেলে জহিরুল ইসলাম আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের ডালাচারা গ্রামের সেকান্দার হাওলাদারের মেয়ে নিলুফা বেগমকে বিয়ে করে সেখানে ২০০৮ সাল থেকে বসবাস করে আসছেন। তার স্ত্রী নিলুফা বেগম দুবাই প্রবাসী। গত ১৮ জানুয়ারি বুধবার সকালে জহিরুল ইসলাম ১টি গরু কেনার জন্য আমতলী বাজারে আসেন। দুপুরের পর থেকেই তার স্বজনরা মোবাইল ফোনে বন্ধ পান। মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে তারা যোগাযোগ করে না পাওয়ায় খোজাখুজি শুরু করেন। শুক্রবার পর্যন্ত তাকে খুজে না পেয়ে তার বড় ভাই মো. মনির খান তার নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়ে আমতলী থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন। এর পর ২৩ জানুয়ারি সোমবার সকালে আমতলীর ছুরিকাটা গ্রামে সড়কের পাশে স্থানীয়রা জহিরুলকে অচেতন অবস্থায় পরে থাকতে দেখে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। স্বজনরা খবর পেয়ে ওই দিন দুপুরেই জহিরুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী জেনারেল হাসপালে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে মারা যান।
জহিরুল ইসলামের ভাই মনির খান জানান, ভাই কিভাবে নিখোঁজ হয়েছে কে বা কারা নির্যাতন করেছে সে বিষয় এখনো কিছু বলতে পারি না। তবে সে গরু কেনার জন্য যে টাকা নিয়ে বাজারে গিয়েছিল সে টাকা এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে না।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, পটুয়াখালীতে জহিরুলের লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন