বিদ্যালয়ের ৪ তলা নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মেহের আফরোজ চুমকি

0
9

কালীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোহাম্মদ ইব্রাহীম খন্দকার-চার তলা নতুন ভবন পাচ্ছে গাজীপুরের কালীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মসলিন কটন মিলস উচ্চ বিদ্যালয়। গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি এবং হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদ শনিবার এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, হা-মীম গ্রুপের বিনিয়োগে কালীগঞ্জে নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। এ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। তিনি সরকারি কোষাগারে টাকা দিয়েছেন। সেই টাকা থেকে দুটি কিস্তিতে অনেক শ্রমিকের পাওনাদি পরিশোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিকরা যাতে তাদের পাওনাদি পান, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ আসনে শিক্ষা খাতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি এ. কে. আজাদ বলেন, ঐতিহ্যবাহী মসলিন কটন মিলটি হা-মীম গ্রুপ কিনে নিয়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ার সময় ভেতরে অবস্থিত স্কুলটি বাইরে হা-মীম গ্রুপের জায়গায় নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় আজ এক একর জমির ওপর মনোমুগ্ধকর পরিবেশে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, কালীগঞ্জকে আমার খুব ভালো লাগে। কালীগঞ্জকে আমার নিজের এলাকা মনে হয়।

এ. কে. আজাদ বলেন, মিলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ২৫ বছর ধরে কেউ খোলার চেষ্টা করেননি। কিন্তু স্থানীয় সাংসদ মেহের আফরোজ চুমকি ব্যতিক্রম। তিনি মিলটি চালুর জন্য সংসদে বক্তব্য দিয়েছেন। হা-মীম গ্রুপ মিলটি নেওয়ার পর বর্তমানে এখানে ৪ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে ২০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরও বলেন, মেহের আফরোজ চুমকির বাবা শহীদ ময়েজউদ্দিনের স্বপ্ন ছিল কালীগঞ্জকে সুন্দরভাবে সাজানোর। তিনি ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে তার বাবার স্বপ্ন পূরণ করে যাচ্ছেন। সম্ভব হলে কালীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় করব, টেকনিক্যাল কলেজ করব। আমার বিশ্বাস, এমপি চুমকির নেতৃত্বে কালীগঞ্জ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবে। এটি একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত হবে।

বিদ্যালয়সংশ্নিষ্টরা জানান, শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির জন্য এই একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ‘নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে এ কাজ বাস্তবায়ন করছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। কালীগঞ্জের উত্তর ভাদার্ত্তী এলাকায় ১ একর জমির ওপর বিদ্যালয়টি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। আরও উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জের ইউএনও শিবলী সাদিক, কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এইচএম আবু বকর চৌধুরী, কালীগঞ্জ পৌর মেয়র এসএম রবিন হোসেন, হা-মীম গ্রুপের কনসালট্যান্ট মাহফুজুল হক, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার দাস, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাকসুদ উল আলম খান প্রমুখ।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন