মানুষ
“””””””
এম হায়দার চৌধুরী
“””””””””””””””””‘
কবিতার নাম ‘মানুষ’
রচয়িতা: আমি এক অমানুষ।
আমরা মানুষ হয়েছি বটে, হুঁশ নাই তবে
যদিওবা মানুষ, মানবিক হইবো কবে?
মানুষের দুঃখে যদি না কাঁদে, আমার অন্তর
তবে মানুষ নই আমি, অমানুষের নামান্তর।
শোক বিলাসে রহি আমি, সব-ই বিধাতার দান
মানব সেবার মাঝেই রহিছে স্রষ্টার মহা কল্যান।
পেট পুরে খাই আমি, বাকি সবাই ভুখা
ক্ষণিকের তৃপ্তি হলেও, অনেক বড় ধোঁকা।
অপরের দুঃখ-শোকে, আমি হইবো ক্লিষ্ট,
সহমর্মিতা প্রকাশ, মানুষ হওয়ার বৈশিষ্ট্য।
মানুষেই করেছে আকাশ জয়, হিংস্র ব্যাঘ্র, হাতি
অজেয় রয়ে গেছে, শুধু সমগোত্র ও স্বজাতি।
মানুষ যদি মানবিক না হয়, হবে কি বন্য প্রাণী
পশু যদি মানবিক হয়, এতো মানুষেরই গ্লানি।
পাপ-পুণ্যের তালাশ, আমি করিব কোথায়?
সৃষ্টিকে ভালবাসার মাঝেই, স্রষ্টাকে পাওয়া যায়।
স্রষ্টাকে খুঁজে বেড়াই আমি, ঘুরে জমিন আসমান,
সৃষ্টিতেই স্রষ্টা আছেন, মানুষেই স্রষ্টা বিরাজমান।
সৎকর্মে প্রসারিত হোক আমার মনুষ্যত্বের হাত
আমরা সবাই মানুষ, নেই কোন জাত-বেজাত।
স্বর্গ প্রাপ্তির আশায় মানুষ, জগৎ ঘুরিয়া বেড়ায়
স্রষ্টার নিয়মে সৃষ্টির মহা কল্যানে, স্বর্গ দেখা যায়।
পরের ধন করিয়া লুন্ঠন, দান-দক্ষিণায় বিভোর
সমাজের গণ্যমান্য হলেও, তুমি প্রবঞ্চক নিষ্ঠুর।