শায়েস্তাগঞ্জের পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত!

0
4

শায়েস্তাগঞ্জের পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত!

এম হায়দার চৌধুরী, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ):: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে পশুর হাট জমলেও ক্রেতা-বিক্রেতা কেউেই মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধিতে জেলাময় আতংকিত জনগণ। প্রতিদিনই আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে কঠোর বিধি-নিষেধ কার্যকর করতে প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার মাঠে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এত বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে বসেছে পশুর হাট। হাজার হাজার লোকের সমাগম হয় এখানে। হাটে আসা ক্রেতা বিক্রেতাদের মাঝে নাই কোন সামাজিক দূরত্ব। অধিকাংশ লোকের মুখে মাস্ক নাই। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক পাশেই এ পৌর পশুর হাট প্রতি শনিবার বসে।

শনিবার (১০ জুলাই) কঠোর বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে পৌর পশুর হাটে আশাপাশ থেকে কোরবানির পশু কেনা-বেচা করতে আসেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। জনসমাগমস্থলে বিন্দুমাত্রও সামাজিক দূরত্ব নাই। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই ক্রেতা বিক্রেতাদের বেচা-কেনা করতে দেখা যায়। ছিলনা কোন সমাজিক দূরত্ব। অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতার মুখেই ছিল না মাস্ক। গাদাগাদি করে দাড়িয়ে আছে লোকজন। স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।

আব্দুস সালাম নামে এক গরু বিক্রেতা বলেন, তার মাস্ক পড়লে শ্বাসকষ্ট হয়। তাই তিনি মাস্ক পরেন না। তবে পকেটে রাখা আছে যদি পুলিশে ধরে দেখাতে পারব। আর আমরা গরিব মানুষ আমাদের করোনা ধরবে না।

শায়েস্তাগঞ্জ পৌর পশুর হাটের ইজারাদার মোশাহিদ তালুকদার বলেন আমি সর্বাত্মক চেষ্ঠা করছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে। মাস্ক বিহীন কোন ক্রেতা-বিক্রেতাকে হাটে প্রবেশ করতে দেয়া হয়না। অগোচরে কেউ প্রবেশ করলে তাকে মাস্ক দেই।

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মিনহাজুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরন করে পশুর হাট বসাতে ইজারাদারকে বলা হয়েছে । মাস্ক ও সামাজিক দূরত্ব রেখে বেচা-কেনা করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করলে আইনানুগ ব্যবস্তা নেয়া হবে। বিধিনিষেধ কার্যকরে প্রশাসন মাঠে আছে।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন