শায়েস্তাগঞ্জে জনস্বাস্থ্যের স্থাপন করা হাত ধোয়ার বেসিন শুধু নামেই আছে, কাজে নেই!

0
6

এম হায়দার চৌধুরী, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি::গত বছর দেশে করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করলে সারাদেশের ন্যায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্ত কর্তৃক হাত ধোয়ার বেসিন ও পানির ট্যাংকি স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে হাত ধোয়ার বেসিন ও পানির ট্যাংকি শুধু নামেই আছে। শুরুর দিকে কিছুদিন বেসিনের পাশে হাত ধোয়ার উপকরণ হিসেবে সাবান রাখা হয়েছিল বর্তমানে তাও নেই।

সরেজমিনে দেখা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার রেলওয়ে পার্কিং-এ বেসিনে পানি নেই, সাবান রাখার স্থান আছে, কিন্তু সাবান নেই। এমন অবস্থায় রয়েছে উপজেলার শিল্প নগরি অলিপুরের বেসিনটিও। একইভাবে উপজেলার বেসিনগুলো শুধু নামেই আছে, কাজে নেই। বেসিনের মাঝে ধুলোবালি আর ময়লা জমে আছে, তদারকি না থাকার কারণে করোনা প্রতিরোধে এগুলো কোন কাজেই আসছে না। জনসচেতনতার অভাবে জনসাধারণ ও বেসিন যেমন ব্যবহার করছেন না, তেমনি কর্তৃপক্ষ ও এ ব্যাপারে রয়েছেন উদাসীন। সম্প্রতি করোনাভাইরাস আবারও প্রকট আকার ধারণ করেছে এ থেকে রক্ষা পেতে হলে সচেতনতার বিকল্প নেই। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় মাত্র দুইটি বেসিন নির্মাণ করা হয়েছিল। দুটি বেসিন নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল এক লাখ বিশ হাজার টাকা।

এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা গণস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, আমরা সুন্দর করে বেসিন নির্মাণ করে দিয়ে আসেছি, কিন্তু সাধারণ মানুষের অসচেতনার জন্য বেসিন ঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছেনা। এছাড়া শায়েস্তাগঞ্জে যে বেসিনটি বসানো হয়েছে সেটির পানি অনেক দূর থেকে পাইপ দিয়ে আনা হয়েছে। রেলপার্কিংয়ে অতিরিক্ত গাড়ি আসা যাওয়ার কারণে পাইপ ফেটে গিয়ে পানির সংযোগ ব্যাহত হয়। আর সাবান পানি দেখভাল করার জন্য স্থানীয় একজন দোকানদারকে দ্বায়িত্ব দিয়ে এসেছিলাম, আমি এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে দেখব। আর করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বেসিন বাড়ানো যায় কিনা প্রশ্নে তিনি বলেন, বেসিন চাইলে বাড়ানো যায়, কিন্তু সাধারণ মানুষ ঠিকমত এর ব্যবহার করতে জানেনা, ফলে আমাদের বদনাম হয়।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন