শ্রীপুরে রাস্তার পাশে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, দুর্গন্ধে নাকে রুমাল চেপে চলতে হয় পথচারীর

0
36

শ্রীপুরে রাস্তার পাশে ময়লা-আবর্জনার স্তুূপ, দুর্গন্ধে নাকে রুমাল চেপে চলতে হয় পথচারীর

শ্রীপুর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের শ্রীপুর শ্রীপুর-কাপাসিয়া সড়কে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে এ রাস্তা দিয়ে। মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দক্ষিণে এগিয়ে গেলেই পথচারীদের নাক-মুখ ঢেকে অথবা রুমাল চাপা দিয়ে চলাচল করতে হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়,আবর্জনার স্তূপ বোঝাই হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে রাস্তার পাশে। বৃষ্টি হলে রাস্তা জুরে ভাসতে থাকে পচা, দুর্গন্ধ আবর্জনা। ওই এলাকায় কোন যানবাহন গেলেই যাত্রিরা নাকে মুখে রুমাল চেপে ধরেন।আর এসব ময়লা-আবর্জনা শ্রীপুর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে এনে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।শ্রীপুর-কাপাসিয়া দুই উপজেলার মানুষের জন্য এই রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয়রা জানান, বিগত তিন বছর ধরে শ্রীপুর পৌরসভার বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা এনে এখানে ফেলে যায়। এই এলাকায় শতশত মানুষেরা বসবাস করছে। দিনে রাতে ভ্যান গাড়িতে করে আবর্জনা এনে এখানে ফেলতে দেখা যায়। কিন্তু এসব বিষয়ে কেউ কথা বলতে সাহস পায়না।এই ময়লা-আবর্জনা থেকে গ্রামে ছড়াচ্ছে পাতলা পায়খানা,ডাইরিয়ার সহ বিভিন্ন রোগ বালাই। বিশেষ করে শিশুরা এ ররোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। দুর্গন্ধের কারণে পথচারীরা চলছে নাকে রুমাল চেপে।

গোসিংঙ্গা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার হুমায়ূন কবির প্রধান বলেন, এই পথ দিয়ে প্রতিদিন আমাদের গ্রামের মানুষের যাওয়া আসা করতে হয়। এত দুর্গন্ধ যে মনে হয় অজ্ঞান হয়ে যাব। যত দিন যাচ্ছে ময়লা বাড়ছে। এলাকার লোকজন প্রতিদিন আমার কাছে বলে পচা-দুর্গন্ধে এখানে বসবার করাটাই মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। মেম্বার বলেন, এক বছর আগে শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমানের কাছে এ বিষয়টি বলছিলাম। বলার পরে-ও বন্ধ হয়নি এখানে ময়লা ফেলা।

স্থানিয় কবির হোসেন বলেন, অনেক সময় বাড়িতে গামছা দিয়ে নাক বন্ধ করে খাবার খেতে হয়। এসব বিষয়ে দেখার যেন কেউ নেই। ময়লা থেকে জন্ম নেওয়া মশা মাছিও এলাকাবাসীর দুর্ভোগের আরেক কারণ।

শ্রীপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাসুম প্রধান বলেন,আমি শুনেছি এখানে রাতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয়। তবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন কাউন্সিলর।

এবিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডভোটেক সামসুল আলম প্রধান বলেন, এলাকার লোকজন এখানে ময়লা ফেলতে নিষেধ করেছিল কেউ শুনেনি। বিষয়টি নিয়ে আমি উপজেলা প্রশাসনের আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে কথা বলেছি। এই ময়লা যেন রাস্তার পাশে ফেলা না হয় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিব। খুব তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে জানান চেয়ারম্যান।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন