সাংবাদিক কারাদন্ডের ঘটনার তথ্য কমিশনের অনুসন্ধান শুরু

0
0

সাংবাদিক কারাদন্ডের ঘটনার তথ্য কমিশনের অনুসন্ধান শুরু

মোঃজিয়াউল হক, শেরপুর প্রতিনিধি ।
নকলায় সাংবাদিকের কারাদণ্ডের ঘটনায় শেরপুরে এসে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেন তথ্য কমিশনার শহিদুল ইসলাম। তিনি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।রোববার বিকেলে নকলা পৌর শহরের কুরশা বাদাগৈড় শেরপুরের নকলায় তথ্য না দিয়ে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাংবাদিকের কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনার অনুসন্ধান শুরু করেছে তথ্য কমিশন। রোববার সকালে তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেন।এদিকে সাজার বিরুদ্ধে আপিল করতে আজ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এ–সংক্রান্ত নথির নকল চেয়ে আবেদন করেছেন ওই সাংবাদিকের পরিবার।দণ্ড পাওয়া ওই সাংবাদিকের নাম শফিউজ্জামান রানা। তিনি দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার নকলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত। গত মঙ্গলবার তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তথ্য অধিকার আইনে একটি প্রকল্পের তথ্য চান। কিন্তু তথ্য চাইতে যাওয়া ওই সাংবাদিককে অসদাচরণের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অভিযোগ ওঠে,তথ্য চাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম (ঝিনুক)কে দায়িত্ব দেয় কমিশন। তিনি কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম আজ সকাল সাড়ে ১০ টায় শেরপুর কারাগারে যান। কারাবিধি অনুযায়ী তিনি সাংবাদিক শফিউজ্জামানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর বক্তব্য সংরক্ষণ করেন। দুপুরে তথ্য কমিশনার নকলা পৌর শহরের কুরশা বাদাগৈড় এলাকায় ওই সাংবাদিকের বাসায় যান। সাংবাদিকের স্ত্রী বন্যা আক্তারের সঙ্গে ও ছেলের সাথে কথা বলেন। এ সময় তিনি বন্যার কাছ থেকে তথ্য অধিকার আইনে সাংবাদিকের আবেদনের দুটি কাগজ সংগ্রহ করেন।পরে বিকেলে তথ্য কমিশনার নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিনের সঙ্গে রানার আবেদনের বিষয়ে কথা বলেন ও সাজার নথি দেখেন।
তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন, কমিশনের নির্দেশনা মতো সাংবাদিক শফিউজ্জামানের পরিবারের অভিযোগের বিষয়টি অনুসন্ধান করতে তিনি শেরপুরে এসেছেন। এর অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তথ্য সংগ্রহ করছেন। অনুসন্ধান শেষে দ্রুতই কমিশনে সিদ্ধান্ত কার্যপত্র দাখিল করবেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন,বিষয়টি বিচারাধীন এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন