হবিগঞ্জের মাধবপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে, স্বামীর আত্মসমর্পণ!

0
17

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:: হবিগঞ্জের মাধবপুরে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতরভাবে আহত করেছে পাষন্ড স্বামী হারুন মিয়া। এরপর স্থানীয় চেয়ারম্যান কার্যালয়ে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে সে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্ত্রী লিপা আক্তার (২৩)কে প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

শনিবার (১২ জুন) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী মেহেরপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

জানা যায়, স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা পাষন্ড স্বামী ওই গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে হারুন মিয়া(২৬)। সে ধর্মঘর ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল ইসলাম কামালের কার্যালয়ে গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। খরব পেয়ে কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির উপ পরিদর্শক (এসআই) দেবাশিষ তালুকদার হারুন মিয়াকে আটক করে হেফাজতে নিয়ে আসেন।

জানা যায়- প্রায় ৬ বছর পূর্বে বিজয়নগর উপজেলার বড়চাল গ্রামের ফিরোজ মিয়ার কন্যা গামেন্টস্ কর্মী লিপা আক্তার ও মেহেরপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে রাজমেস্তরি সহকারী হারুন মিয়া চট্টগ্রামে কর্মরত অবস্থায় পরিচিত হয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এরই মধ্যে তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান জন্ম হয়।

স্বামীর অভিযোগ লিপা পরকীয়ায় আসক্ত। লিপা আক্তার প্রায়ই বাড়ী থেকে স্বামীকে না জানিয়ে চলে যায়। ঘটনার দিনও নিপা বাড়ী থেকে বের হয়ে যেতে চায়। এ নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হারুন তার স্ত্রী লিপাকে হত্যার উদ্দেশ্য ধারালো দা দিয়ে ঘাড়ে কোপ মারে। এতে লিপা মাটিলে লুটিয়ে পড়লে তাকে মৃত ভেবে স্বামী হারুন ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল ইসলাম কামালের কাছে আত্মসর্মপন করে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থলে পুলিশ গিয়ে হারুন মিয়াকে আটক করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তি আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন