হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ষাঁড় গরু “রাজার” দাম ৫ লাখ! ওজন ২১ মন

0
9

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ষাঁড় গরু “রাজার” দাম ৫ লাখ! ওজন ২১ মন

এম হায়দার চৌধুরী, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ)॥ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কুতুবেরচক গ্রামের ইকবাল মিয়ার অতি যতেœ পালিত ষাঁেড়র নাম রাজা। এ বছরে উপজেলার সর্ববৃহৎ কোরবানির পশু বলে ধরা হচ্ছে এই ষাঁড়টিকে। তাইতো খামারী আদর করে এর নাম দিয়েছেন রাজা। আকারে ৯ ফুট ৩ ইঞ্চি লম্বা, ৫ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতা আর ওজন ২১ মন। বেশ জামাই আদরেই রাখা হয়েছে ৪ বছর বয়সী রাজাকে।

জানা গেছে, বৃহদাকার এই ষাঁড়ের জন্য প্রতিদিনের বাজেট প্রায় প্রায় ৫শত টাকা। খাবাল হিসেবে থাকছে খৈল, খড়, ভূষি, ধানের কুড়া, ডালের ভুষি আর ইকবাল মিয়ার জমিতে চাষ করা ঘাস। কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে সেই রাজার মালিক তার দাম হাঁকাচ্ছেন ৫ লক্ষ টাকা। রাজার আকার, আকৃতি ও ওজনের দিক থেকে উপজেলার সবচাইতে বড় পশু বলে দাবী খামারী ইকবাল মিয়ার। রাজা কে দেখতে প্রতিদিন ওই খামারীর বাড়িতে ভীড় করেন উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষজন।

লামিয়া ডেইরি ফার্মের স্বত্তাধিকারি ইকবাল মিয়া বলেন সেনাবাহিনীতে সার্জেন্ট হিসেবে চাকুরি করতেন। অবসরে আসার পর ৫ বছর আগে ১২টি গাভী নিয়ে লামিয়া ডেইরী র্ফাম নামে একটি ব্যবসা শুরু করেন। খামারে উৎপাদিত দুধ বিক্রি করেন আশেপাশের এলাকায়। এখামারে একটি গাভীর বাচ্চা খুব দ্রুত বড় হতে থাকলে এর নাম রাখেন রাজা। এই চার বছরে সম্পুর্ন বিশুদ্ধ খাবার খেয়ে বড় হয়েছে রাজা। কোন প্রকার মোটাতাজা করণ ঔষধ বা ইনজেকশন ছাড়াই গরুটির ওজন ২১ মন হয়েছে।

গত বছর কোরবানীর ঈদের সময় এ গরুটি হাটে তুলে ছিলেন কিন্তু আশানুরোপ দাম না পাওয়ায় বিক্রি করেননি। এবার তিনি রাজার দাম হাঁকাচ্ছেন ৫ লাখ টাকা। তিনি বলেন ঢাকায় হলে এই গরটিু ৮ থেকে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি হতো। কিন্তু মফস্বলে এতো দাম দিয়ে কেউ কিনবে না তাই ৫ লাখ টাকা দাম চাই।

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (ইউএলও) রমাপদ দে বলেন, এ রাজা নামের ষাঁড়টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় ষাড়। প্রানী সম্পদ প্রর্দশনি মেলায় বৃহৎ ষাড় হিসেবে রাজা পুরুষ্কৃত হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি রাজার দেখভাল করছি। রাজা সাধারন খাবার খেয়েই বেড়ে উঠছে। মোটাতাজা করনের জন্য কোন খাবার খাওয়ানো হয়নি রাজাকে।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন