হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে করোনা টেস্টে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ

0
8

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:: হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে করোনা টেস্ট বাবদ অতিরিক্ত চার্জ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ শহরের বাসিন্দা ছালেহ আহমদ চৌধুরী জানান, শনিবার বেলা ১২টার দিকে করোনা পরীক্ষা করানোর জন্য হাসপাতালের কোভিড-১৯ কাউন্টারে যান।

সেখানে তার নিকট থেকে দুইশত টাকা চার্জ আদায় করা হয়। এসময় করোনা টেষ্ট করতে আসা অপর এক ব্যক্তি ১শ টাকা ফিস জমা দেন। দেখা যায়, সালেহ আহমদ চৌধুরীর নিকট থেকে ১শ টাকার স্থলে ২শ টাকা আদায় করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্মচারী সাইফুল জানান, ফিস বাড়ানো হয়েছে।

পরে হাসপাতালের সিনিয়র ল্যাব টেকনেশিয়ান জাহাঙ্গীরের নিকট থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় ফিস বাড়ানো হয়নি।

ভুক্তভোগী ছালেহ আহমদ বাড়তি টাকা নেয়ার ব্যাপারে চ্যালেঞ্জ করলে সাইফুল নিজের পকেট থেকে ১শ টাকা ফেরত দেন।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে সাইফুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রিপন নামে এক যুবকের কাছে সালেহ আহমদ চৌধুরী ২শ টাকা দিয়েছিলেন। তিনি বাড়তি টাকা নেননি। রিপনের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি তাকে চেনেন না বলেও জানান।

রিপন বাড়তি টাকা নিলে ১শ টাকা তিনি কেন নিজ পকেট থেকে ফেরত দিলেন এ প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি সাইফুল।

ছালেহ আহমদ চৌধুরী আরও জানান,গত মঙ্গলবার তার ছেলের পরীক্ষা করানোর সময়ও ২শ টাকা নেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, শুধু তিনি নন , শনিবার পরীক্ষার জন্য লাইনে থাকা অন্যান্য লোকজনের নিকট থেকেও ২শ টাকা করে আদায় করেছেন সাইফুল।

হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ হেলাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,২শ টাকা নেয়ার তো কথা নয়। বিষয়টি আমি দেখছি।
বাড়তি টাকা নেয়ার বিষয়টি হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে এখনই আলাপ করবো।

উল্লেখ যে, কাউন্টারের সামনে করোনা টেস্ট ফি সংক্রান্ত কোন নোটিশ না থাকায় হাসপাতাল কর্মচারিদের একটি চক্র করোনা পরীক্ষা করতে আসা সহজ সরল লোকজনের নিকট থেকে এভাবে বাড়তি টাকা আদায় করছেন।#

আজ তেলিয়াপাড়া দিবস!

এম হায়দার চৌধুরী:: আজ ৪ এপ্রিল ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এ বৈঠকেই দেশকে স্বাধীন করার শপথ এবং যুদ্ধের রণকৌশল গ্রহণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণকে ১১টি সেক্টর ও ৩টি ব্রিগেডে ভাগ করা হয়। সেসময় নিজের পিস্তল থেকে গুলি ছুড়ে যুদ্ধের সূচনা করেন জেনারেল এমএজি ওসমানী।

স্বাধীনতা উত্তর সেখানে বুলেট আকৃতির প্রথম মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধও নির্মাণ করা হয়। এমন ঐতিহাসিক স্থানটি স্বাধীনতার ৫০ বছরেও রয়ে গেছে চরম অবহেলিত। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকার সাধারণ মানুষদের দাবি, দ্রুত এখানে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হোক।

আপনার মতামত প্রকাশ করেন

আপনার মন্তব্য দিন
আপনার নাম এন্ট্রি করুন