শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার উজিলাব গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেনিতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রীর জন্ম দেয়া ছেলে শিশু পেল পিতার স্বীকৃতি। এ ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হওয়ার পর থেকে ধর্ষণকারী অভিযুক্ত মিজান (৩৩) পলাতক ছিলো।এ ঘটনা মিডিয়াতে ব্যাপকভাবে প্রকাশ হওয়ার পর থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) শহিদুল ইসলাম মোল্লা জানান, থানায় মামলা হওয়ার পরথেকে আসামি মিজান ঢাকার সবুজবাগ এলাকায় পলাতক ছিল। শনিবার সকালে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আসামি ধর্ষনের কথা স্বীকার করে বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল আদালতে কা বি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। উল্লেখ্য, মেয়েটি স্থানীয় এক মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেনির ছাত্রী ছিলেন। গত চার বছর ধরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে তার চাচাত মামা একই গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে মিজান (৩৩) একাধিকবার ধর্ষন করে। কিশোরী প্রাণের ভয়ে ধর্ষনের কথা কাউকে বলেনি।এক পর্যায়ে ২ নভেম্বর পেটে ব্যথা শুরু হলে একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয় সেখান থেকে জানানো হয় কিশোরীটি অন্ত:সন্তা।এরপর তাকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। সেখানে শিশুটি একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়।অভিযুক্ত মিজান (৩৩) পেশায় দর্জি। বাড়ির পাশের একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করেন। ঘটনা জানাজানির পর থেকে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে মিজান। সন্তান জন্ম দেওয়া শিশুটির বাবা একজন রিকশা চালক আর মা ভিক্ষুক। শিশু দেখাশুনার দায়িত্ব পালন করছিলেন শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) শহীদুল ইসলাম মোল্লা।