গাজীপুরের শ্রীপুরে কথা কাটাকাটির জেরে
পৌর স্বেচ্ছাসেবকদল নেতাকে মারধোর ও বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় স্থানিয় ব্যবসায়ী কফিল উদ্দিন বাঁধা দিতে গেলে তাকেও মারধোরের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ী।
শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের গাড়ারন (খলারটেক) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার হয়ে শ্রীপুর পৌর সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম পারভেজ জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ ফোন দিয়ে সহযোগিতা চাইলে। রাতেই ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন পুলিশ।
সেলিম পারভেজ বলেন, রাতে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে কফিলের দোকানে বসে কথা বলছিলাম। হঠাৎ আলম এসে আমাকে গালি গালাজ শুরু করে। আমি নাকি বলেছি আলম গত নির্বাচনে সে ঘোড়ার নির্বাচন করেছে। পরে কয়েকজনকে নিয়ে আমাকে মারধোর শুরু করে। আমি দৌড়ে বাড়িতে গেলে সে দলবল নিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে হামলা,ভাংচোর ও লুটপাট করে। আমার বাড়িতে থাকা নগদ টাকা ও আমার স্ত্রীর স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। আমি নিজেকে বাঁচাতে ৯৯৯ ফোন দেই। পরে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে এবিষয়ে আমি শ্রীপুর থানায় অভিযোগ করেছি।
স্থানিয় ব্যবসায়ী কফিল উদ্দিন জানান, গত রাত পৌনে ১১টার দিকে সেলিম আমার দোকানে বসে কথা বলছিলো।এসময় তার সাথে আলমের কথা কাটাকাটি হয়।এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে আমি থামাতে গেলে আমাকে ও আমার স্ত্রীকেও মারধোর করে আলম ও তার সহযোগিরা। আমি এটার বিচার দাবী করছি।
ঘটনার বিষয়ে জানতে আলমের সাথে মোঠফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গত নির্বাচনের পর থেকে সেলিম এলাকায় আমার নামে বিভিন্ন বদলাম ছড়াছে। সে মানুষের কাছে বলে বেড়াচ্ছে আমি ঘোড়ার টাকা খেয়ে নির্বাচন করেছে।গত রাতে তার সাথে কথাকাটাকাটি হলে সে আমাকে সার্টের কলারে ধরে ফেলে দিয়ে মারধোর করে। আমাকে রক্ষাকরতে গেলে সে একজনকে মারধোর করে। বিষয়টি অনেকই দেখেছে সাক্ষী প্রমান রয়েছে। তার বাড়িতে হামলা করার কোন প্রশ্নই উঠেনা।
শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনোয়ার হোসেন বলেন, রাতে ৯৯৯ কলে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি।তাদের থানায় অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। তারা অভিযোগ করিলে এবিষয়ে তদন্তকরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।