গাজীপুরের শ্রীপুরে বাসর রাত পোহাতেই এক নববধূ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শ্রীপুর পৌর এলাকার দক্ষিণ ভাংনাহাটি গ্রামের রফিক উদ্দিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

রবিবার বিকাল সাড়ে ৪ টারদিকে ঘরের দরজা ভেঙ্গে পুলিশ ওই নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত জোসনা বেগম(৩৪) নেত্রকোন জেলার পূর্বধলা থানার মহিষাবের গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে। তিনি ওই বাড়িতে ভাড়া থেকে ঢাকা গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। চাকরির সুবাদে ইয়াসিনের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে জোসনা তার প্রথম স্বামীকে কিছুদিন আগে ডিভোর্স দেয়।

শুক্রবার(৬মার্চ) বিকেলে নিজের গ্রামের বাড়িতে পরকীয়া প্রেমিক ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার ইয়াসিন এর সাথে তার বিয়ে হয়।

শনিবার রাতে জোসনা তার ভাড়া বাসায় পরকীয়া প্রেমিক দ্বিতীয় স্বামীর সাথে বাসর করে। সকাল সাতটায় স্বামী কাজে যায়। পরে কোন এক সময় জোসনা ঘরের দরজা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে পুলিশ বিকেলে ওই নারীর ঝুলন্ত মরে উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা জানান, জোসনা স্থানীয় ঢাকা গার্মেন্টসে চাকুরি করতো। ইয়াসিন চাকরি করেন আমানটেক্স নামক কারখানায়। দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন জোসনা ও ইয়াসিন ।বিষয়টি জেনে ইয়াসিনের স্ত্রী নিভৃত করার চেষ্টা করেন। পরকিয়া আশক্ত জোসনা কিছুদিন পূর্বে তার প্রথম স্বামীকে ডিভোর্স দেন। ইয়াসিন গোপনে শুক্রবার বিকেলে জোসনাকে বিয়ে করেন। শনিবার রাতে জোসনার ভাড়া করা ভাষায় পরকিয়া জুটি জোসনা ও ইয়াসিনের বাসর হয়। সকাল সাতটার দিকে ইয়াসিন কাজে চলে যাযন। পরে কোন এক সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে জোসনা। দুপুরের বাড়ির লোকজন বিষয়টি জানতে পায়।

নিহতের বাবা জানান, বিকেল তিনটার দিকে জানতে পান জোসনা ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়ের ঝুলন্ত দেখতে পান। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে।

শনিবার রাতে দ্বিতীয় স্বামীর সাথে বাসর করে জোসনা। প্রেম করে ইয়াসিনকে বিয়ে করেছিল। কি কারনে সে আত্মহত্যা করল বিষয়টি আমাদের জানা নেই।

শ্রীপুর থানার এসআই রেজাউল করিম জানান,ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়া দিন রয়েছে।