পতিত আওয়ামীলীগের দোষররা এখনো গুড়ে বেড়াচ্ছে। কতটা সাহষ! হত্যামামলার পলাতক আসামী হয়ে এলাকায় এসে ত্রাস সৃষ্টি করে। মায়েদের গায়ে হাত তুলে। ওসিকে বলেছি ২৪ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে।
রবিবার বিকেলে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আওয়ামীলীগ নেতার হামলায় আহতদের দেখতে গিয়ে গাজীপুর তিন আসনের সাংসদ ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
এর আগে শনিবার বিকেলে জমি সংক্রান্ত বিরোধে শ্রীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো. হাবিবুল্লার নেতৃত্বে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় সামলা খাতুন, সাইফুল ইসলাম, মাসুদা খাতুন ও বিথি গুরুত্বর আহত হয়।
এ ঘটনায় শনিবার রাতেই থানায় মামলা হয়েছে। রবিবার বিকেলে গাজীপুর তিন আসনের সাংসদ ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান। সেখানে আহতদের সুচিকিৎসার আশ্বাসদেন। পরে শ্রীপুর থানার ওসিকে অভিযুক্ত আওয়ামীলীগ নেতা হাবিবুল্লা ও তার সহযোগীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। অভিযুক্ত মো. হাবিবুল্লা শ্রীপুর পৌসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি। আওয়ামীলীগের পতনের পর তিনি আত্নগোপনে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে। আত্নগোপনে থেকে হঠাৎ এসে তিনি এ হামলার ঘটনা ঘটান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাও. এস এম রুহুল আমীন, উপজেলা বিএনরি আহ্বায়ক মো. আব্দুল মোতালেব, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির সরকার। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মো. মোছলেম উদ্দিন মৃধা, এস এম মাহফুল হাসান হান্নান, মো.সাইফুল হক মোল্লা, মো, আনোয়ার হোসেন ব্যাপারী, মো. বিল্লাল হোসেন, রেজাউল করিম খোকন সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, অভিযোগ পেয়ে শনিবার রাতেই মামলা রুজু হয়েছে। আসামী গ্রেফতার করতে রাতে একাধিক বার অভিযান পরিচালনা করা হয়। দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করা হবে।