সরকারের ক্ষতি হলেও লাভবান সরকারেরখাদ্য কর্মকর্তারা
গাজীপুর প্রতিনিধিঃ “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, বোরো ধান সংগ্রহে স্বস্তি আসুক সবার মাঝে” এমন প্রতিপাদ্যে সরকার চলতি বছর নির্ধারিত মুল্যে ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করলেও দায়িত্বশীলদের অবহেলায় সেই উদ্যোগ ভেস্তে যাচ্ছে। জানা গেছে, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল ‘খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটি’র (FPMC) সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৬ সালের বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ৫ লক্ষ মেট্রিক টন ধান, ১২ লক্ষ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লক্ষ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।সে অনুযায়ী গাজীপুর জেলায় ৫৮৬২ মে.টন ধান ৩৬ টাকা দরে, ৭০৬৫ মে.টন বোরো সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা দরে ও ৭২০ মে.টন বোরো আতব চাল ৪৮ টাকা দরে সংগ্রহের লক্ষমাত্রা থাকলেও জেলা কর্মকর্তাদের যোগসাজশে মিলাররা নীতিমালা বহির্ভূত নিন্মমানের চাল সরবরাহ করলেও নিরব সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা। অন্যদিকে জেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা শফি আফজালুল আলম কমিশন গ্রহন করে বিতর্কিত মোজাদ্দেদিয়া অটো রাইস মিলকে সক্ষমতার অধিক বরাদ্দ প্রদান করার অভিযোগ উঠেছে । এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক একজন ওএমএস ডিলার বলেন, মোজাদ্দেদিয়া অটো রাইস মিলের সাথে খাদ্য কর্মকর্তাদের অর্থনৈতিক গোপন সম্পর্ক থাকে। তারা টিআর, জিআর ও খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিতরণ না করে অবিক্রীত চাল মজুদ করে। পরে সংগ্রহের সময় তা গুদামে সরবরাহ করে। এতে সরকারের ক্ষতি হলেও লাভবান হয় কর্মকর্তারা। এবিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ শফি আফজালুল আলমের মোবাইল ফোনে কয়েকবার চেস্টা করেও সম্ভব হয়নি।