গাজীপুর: গাজীপুরের শ্রীপুরে নারী ডাক্তারকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্তক্ত্য করেন ডা. মাহবুব হাসান রায়হান(৩১)। ব্যর্থ হয়ে ওই নারীকে অপহরণ করেন রায়হান। প্রাইভেট কারে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয় একাধিক ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। পড়ে জোড় পূর্বক ওই নারীকে বিয়ে করে।
এ খটনায় ভূক্তভোগী নারী বুধবার থানায় মামৱা দায়ের করেন। রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত ডা. রায়হানকে গ্রেফতার করেন।গ্রেফতার ডা. মাহবুব হাসান রায়হান উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের বাউনী গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে।
থানায় মামলা সূত্রে জানাযায়, ভিকটিম ওই নারী ডাক্তার শ্রীপুর পৌর শহরের চৌরাস্তার নিউ এশিয়া ডায়াগ্নষ্টিক সেন্টারে চাকুরী করেন। অভিযুক্ত রায়হান ওই ক্লিনিকে বিভিন্ন সময় রোগী দেখতেন। এক পর্যায়ে রায়হান ওই নারীর প্রতি আশক্ত হয়ে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করতো। এক পর্যায়ে ওই নারী ডাক্তার ঢাকায় চলে যেতে প্রস্তুত হন। বিষয়টি জেনে রায়হান ব্যপরোয়া হয়ে উঠে। গত ২৭ মে রাত সাড়ে আটটারদিকে রায়হান ওই নারী ডাক্তারকে সাতখামাইর বাজারের একটি ভাইরাল দোকানে চা পানের প্রস্তাব দেন। ওই নারী ডাক্তার সরল বিশ্বাসে সেখানে যান। চা পান শেষে দু’জনে অটোরিকশায় ফেরার পথে গাড়ারণ নামক স্থানে একটি প্রাইভেট কার এসে তাদের অটোরগতি রোধ করে।গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা দু’জনকে চোখ বেঁধে প্রাইভেট কারে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ওই নারী ডাক্তারকে চাপ সৃষ্টি করে রায়হানকে বিয়ে করতে। না হলে তাদের এক সাথে ছবি ভিডিও ভাইরাল করে দিবে। পরে জোড়পূর্বক একাধিক ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। একই সাথে অন্য আরো কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে বিয়ের নাটক সাজায়। পরে ওই নারী ছেড়ে দেয়।
শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, রায়হান অপহরণের নাটাক সাজিয়ে ভিকটিমকে তুলেনেয়। নির্যাতন করে ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। ভিকটিমের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজো হয়। অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রায়হানকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেয়া তথ্যমতে বাসা থেকে স্বক্ষর করা ষ্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়।