নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের বিচারিক ইতিহাসে এক অনন্য ও নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে মাত্র ৫ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ হলো ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার বিচার। রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সংঘটিত এই নৃশংস মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রবিবার (৭ জুন) বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। দেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম কোনো ধর্ষণ ও হত্যা মামলা, যার বিচারিক কাজ এত দ্রুততম সময়ে শেষ করে রায় দেওয়া হলো।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও রায়, মিরপুরের পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। অপরাধে সরাসরি জড়িত থাকায় প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তাকে সহযোগিতা করার অপরাধে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার—উভয়কেই আদালত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।
আদালতের বক্তব্য, রায় ঘোষণার সময় ট্রাইব্যুনালের বিচারক উল্লেখ করেন, শিশুদের প্রতি এমন পৈশাচিক ও নৃশংসতা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এই দ্রুততম রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি কঠোর বার্তা দেবে এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।
শিশু রামিসার পরিবার এই ঐতিহাসিক ও দ্রুত রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা এত দ্রুত বিচার পাব ভাবিনি। প্রশাসনের এই তৎপরতায় আমরা কৃতজ্ঞ। এখন দ্রুত যেন এই রায় কার্যকর করা হয়।”