• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
Headline
গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য ১ লাখ ডলারের বন্ড বিবেচনায় ট্রাম্প প্রশাসন কাপাসিয়ায় প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বীজ ও সার বিতরণ কাপাসিয়ায় “জুলাই শহিদ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬” পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে সিজার করতে গিয়ে নবজাতকের হাত ভেঙ্গে কয়েক টুকরো, সিভিল সার্জন কতৃক তদন্ত কমিটি গঠন সিভিলসার্জন গাজীপুরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা কাপাসিয়া বাজারের মসজিদ মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় সোয়া কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি সিলেটে আবারও জেলা প্রশাসক পরিবর্তন, জনমনে নানা আলোচনা গাজীপুর সাফারি পার্কে অন্য হাতির আ.ক্র.মণ: দুই পা ভেঙে মৃ.ত্যু.র মুখে ‘রাজু বাহাদুর’ গাজীপুরে দুই শিশু সন্তানকে বি.ষ খাইয়ে মায়ের বি.ষ পান ; দুই সন্তানের অবস্থা আ.শ.ঙ্কা.জ.ন.ক কাপাসিয়ার মানুষকে কাঁদিয়ে ও নিজে অশ্রুসিক্ত হয়ে বিদায় নিলেন ইউএনও ডা: তামান্না তাসনীম

​৯ কোটি টাকার সড়ক ৮ মাসেই নদীতে: গাজীপুরে ঠিকাদারের গাফি.ল.তিতে ক্ষু.ব্ধ এলাকাবাসী

Reporter Name / ৪৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

​শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মাত্র আট মাসের মাথায় ধসে পড়ছে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি আঞ্চলিক সড়ক। উপজেলার রাজাবাড়ি বাজার থেকে গাজীপুর ডিসি অফিস অভিমুখী সড়কের ‘সূতি নদী’ সংলগ্ন অংশে এই ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান সংস্কার করা হলেও সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের এক পাশ নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ও তাড়াহুড়ো করে কাজ করার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

​খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার রাজাবাড়ি বাজার থেকে দমদমা চৌরাস্তা পর্যন্ত ৫.৪০ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণকাজের কার্যাদেশ পায় যৌথ মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালাম-দুর্গা এন্টারপ্রাইজ। ২০২১ সালে শুরু হওয়া এই কাজ ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারের ঢিলেমির কারণে তা শেষ হয় ২০২৫ সালের শেষের দিকে।

​কাজ শেষ হতে না হতেই রাজাবাড়ি বাজার থেকে দমদমা চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের একাধিক স্থানে ধস নেমেছে। বিশেষ করে দমদমা গ্রামের মসজিদের পাশে প্রায় আধা কিলোমিটার সড়ক, গাইড ওয়াল ও সুরক্ষামূলক ব্লকসহ নদীর গর্ভে দেবে যাচ্ছে।

​স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া ও নাজমুল হাসান জানান, সড়ক বর্ধিতকরণের সময় নদীর পাড়ের মাটি ভালোভাবে পিটিয়ে বসানো হয়নি। নামমাত্র মাটি দিয়ে তড়িঘড়ি করে ঈদের আগে কাজ শেষ করা হয়। কাজের সময় নিম্নমানের সামগ্রীর প্রতিবাদ করায় উল্টো স্থানীয়দের মামলার ভয় দেখানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, এভাবে জোড়াতালি দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কতদিন টিকবে? “নদীর পাড়ের অংশ কোনো রকমে মাটি দিয়ে সারাক্ষণ ঢেকে রাখা হয়েছিল। ভালো করে মাটি রোলার দিয়ে বসানোই হয়নি। এখন সামান্য বৃষ্টিতেই সব ধসে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে মেসার্স সালাম-দুর্গা এন্টারপ্রাইজের মালিক আ. সালাম খান মোবাইল ফোনে কিছুটা উদাসীনতা প্রকাশ করে বলেন: ​”কাজের সঠিক-অঠিক বলতে কিছু নাই। নদীর সাইড বা খালের সাইড ভাঙবেই। একবার, দুইবার, তিনবার ভাঙবে—আমরা তা ঠিক করে দেবো। আমাদের এখনো প্রায় দেড় কোটি টাকা সরকারের কাছে পড়ে রয়েছে। বর্ষার পর রাস্তা ঠিক করে দিলে সরকার বাকি টাকা দেবে।”

​এদিকে শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী তৌহিদ আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, “সড়কটি নদীর পাড়ে দেবে যাওয়ার বিষয়টি আমরা দেখেছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ করে চূড়ান্ত বিল নিয়ে গেলেও তাদের প্রায় ৯০ লাখ টাকা জামানত (সিকিউরিটি মানি) আমাদের কাছে জমা রয়েছে। ওই জামানতের টাকা থেকেই ঠিকাদারকে দিয়ে পুনরায় সড়কটি টেকসইভাবে মেরামত করিয়ে নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা