• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
Headline
বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে বিমরাডের কর্মশালা শ্রীপুরে পারিবারিক ক.ল.হে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কু.পি.য়ে হ.ত্যা, ঘা.ত.ক স্বামী গ্রে.প্তা.র শ্রীপুরে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে প্রেস কনফারেন্স শ্রীপুরে এক কর্মজীবী নারীকে মা.র.ধ.র করার অ.ভি.যো.গ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আশুলিয়ায় ডিবি উত্তর পুলিশের অভিযান: ২২০ পিস ই.য়া.বাসহ ৪ মা.দ.ক ব্যবসায়ী গ্রে.প্তা.র শ্রীপুরে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটরের গাড়িতে গু.লি চালিয়ে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা ছি.ন.তা.ই, থানায় মামলা দায়ের শ্রীপুরে বিকাশ এজেন্টের গাড়িতে গু.লি চালিয়ে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা ছি.ন.তা.ই ; ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও গ্রে.প্তা.র হয়নি কেউ শ্রীপুরে বাঁশ কাটতে গিয়ে ভিমরুলের কা.ম.ড়ে স্বপন দাসের মৃ.ত্যু শ্রীপুরে বিকাশের ম্যানেজারকে গু.লি করে দুই বস্তা টাকা ছি.ন.তা.ই শ্রীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হা.ম.লা: একজনকে গুরুতর জ.খ.ম আ.হ.ত-৪

​৯ কোটি টাকার সড়ক ৮ মাসেই নদীতে: গাজীপুরে ঠিকাদারের গাফি.ল.তিতে ক্ষু.ব্ধ এলাকাবাসী

Reporter Name / ১৭৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

​শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মাত্র আট মাসের মাথায় ধসে পড়ছে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি আঞ্চলিক সড়ক। উপজেলার রাজাবাড়ি বাজার থেকে গাজীপুর ডিসি অফিস অভিমুখী সড়কের ‘সূতি নদী’ সংলগ্ন অংশে এই ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান সংস্কার করা হলেও সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের এক পাশ নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ও তাড়াহুড়ো করে কাজ করার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

​খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার রাজাবাড়ি বাজার থেকে দমদমা চৌরাস্তা পর্যন্ত ৫.৪০ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণকাজের কার্যাদেশ পায় যৌথ মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালাম-দুর্গা এন্টারপ্রাইজ। ২০২১ সালে শুরু হওয়া এই কাজ ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারের ঢিলেমির কারণে তা শেষ হয় ২০২৫ সালের শেষের দিকে।

​কাজ শেষ হতে না হতেই রাজাবাড়ি বাজার থেকে দমদমা চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের একাধিক স্থানে ধস নেমেছে। বিশেষ করে দমদমা গ্রামের মসজিদের পাশে প্রায় আধা কিলোমিটার সড়ক, গাইড ওয়াল ও সুরক্ষামূলক ব্লকসহ নদীর গর্ভে দেবে যাচ্ছে।

​স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া ও নাজমুল হাসান জানান, সড়ক বর্ধিতকরণের সময় নদীর পাড়ের মাটি ভালোভাবে পিটিয়ে বসানো হয়নি। নামমাত্র মাটি দিয়ে তড়িঘড়ি করে ঈদের আগে কাজ শেষ করা হয়। কাজের সময় নিম্নমানের সামগ্রীর প্রতিবাদ করায় উল্টো স্থানীয়দের মামলার ভয় দেখানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, এভাবে জোড়াতালি দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কতদিন টিকবে? “নদীর পাড়ের অংশ কোনো রকমে মাটি দিয়ে সারাক্ষণ ঢেকে রাখা হয়েছিল। ভালো করে মাটি রোলার দিয়ে বসানোই হয়নি। এখন সামান্য বৃষ্টিতেই সব ধসে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে মেসার্স সালাম-দুর্গা এন্টারপ্রাইজের মালিক আ. সালাম খান মোবাইল ফোনে কিছুটা উদাসীনতা প্রকাশ করে বলেন: ​”কাজের সঠিক-অঠিক বলতে কিছু নাই। নদীর সাইড বা খালের সাইড ভাঙবেই। একবার, দুইবার, তিনবার ভাঙবে—আমরা তা ঠিক করে দেবো। আমাদের এখনো প্রায় দেড় কোটি টাকা সরকারের কাছে পড়ে রয়েছে। বর্ষার পর রাস্তা ঠিক করে দিলে সরকার বাকি টাকা দেবে।”

​এদিকে শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী তৌহিদ আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, “সড়কটি নদীর পাড়ে দেবে যাওয়ার বিষয়টি আমরা দেখেছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ করে চূড়ান্ত বিল নিয়ে গেলেও তাদের প্রায় ৯০ লাখ টাকা জামানত (সিকিউরিটি মানি) আমাদের কাছে জমা রয়েছে। ওই জামানতের টাকা থেকেই ঠিকাদারকে দিয়ে পুনরায় সড়কটি টেকসইভাবে মেরামত করিয়ে নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা