• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
Headline
শ্রীপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে অ.গ্নি.দ.গ্ধ হয়ে যুবকের রহস্যজনক মৃ.ত্যু; এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি গাজীপুরে ছাত্রলীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রে.প্তা.র, পাঠানো হলো আদালতে বিমান বন্দর থেকে গাজীপুরের দুই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আ.ট.ক কাওরাইদকে মা.দ.ক ও স.ন্ত্রা.স.মুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট আব্দুল হাই স্বপন মা.দ.ক-স.ন্ত্রা.স.মুক্ত নিরাপদ শ্রীপুর গড়ার প্রত্যয় নাসিম মন্ডলের মতবিনিময় সভা গাজীপুরে এসআরবি-১-এর বিশেষ অভিযান: ২ পি.স্ত.ল, ৪ ম্যাগাজিন ও গু.লি.সহ স.ন্ত্রা.সী গ্রে.প্তা.র শ্রীপুরে স্কুলে মাদক সন্ত্রাসীদের হামলা, হুমকি এবং চাঁদা দাবিতে আতঙ্কিত স্কুল কতৃপক্ষ ও অভিভাবকগণ শ্রীপুরে একই ছাদের নিচে দেশের বিখ্যাত সব মিষ্টি ও দইয়ের স্বাদ: উদ্বোধন হলো ‘বগুড়ার দই ঘর’ শ্রীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অ.ব.রো.ধ, পুলিশের লা.ঠি.চা.র্জে আ.হ.ত ৪ মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ বিরোধী নাগরিক আন্দোলনের কমিটি গঠন- রিপন আনসারী সভাপতি,হাজী মুছা সম্পাদক নির্বাচিত।

​৯ কোটি টাকার সড়ক ৮ মাসেই নদীতে: গাজীপুরে ঠিকাদারের গাফি.ল.তিতে ক্ষু.ব্ধ এলাকাবাসী

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

​শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মাত্র আট মাসের মাথায় ধসে পড়ছে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি আঞ্চলিক সড়ক। উপজেলার রাজাবাড়ি বাজার থেকে গাজীপুর ডিসি অফিস অভিমুখী সড়কের ‘সূতি নদী’ সংলগ্ন অংশে এই ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান সংস্কার করা হলেও সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের এক পাশ নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ও তাড়াহুড়ো করে কাজ করার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

​খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার রাজাবাড়ি বাজার থেকে দমদমা চৌরাস্তা পর্যন্ত ৫.৪০ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণকাজের কার্যাদেশ পায় যৌথ মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালাম-দুর্গা এন্টারপ্রাইজ। ২০২১ সালে শুরু হওয়া এই কাজ ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারের ঢিলেমির কারণে তা শেষ হয় ২০২৫ সালের শেষের দিকে।

​কাজ শেষ হতে না হতেই রাজাবাড়ি বাজার থেকে দমদমা চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের একাধিক স্থানে ধস নেমেছে। বিশেষ করে দমদমা গ্রামের মসজিদের পাশে প্রায় আধা কিলোমিটার সড়ক, গাইড ওয়াল ও সুরক্ষামূলক ব্লকসহ নদীর গর্ভে দেবে যাচ্ছে।

​স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া ও নাজমুল হাসান জানান, সড়ক বর্ধিতকরণের সময় নদীর পাড়ের মাটি ভালোভাবে পিটিয়ে বসানো হয়নি। নামমাত্র মাটি দিয়ে তড়িঘড়ি করে ঈদের আগে কাজ শেষ করা হয়। কাজের সময় নিম্নমানের সামগ্রীর প্রতিবাদ করায় উল্টো স্থানীয়দের মামলার ভয় দেখানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, এভাবে জোড়াতালি দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কতদিন টিকবে? “নদীর পাড়ের অংশ কোনো রকমে মাটি দিয়ে সারাক্ষণ ঢেকে রাখা হয়েছিল। ভালো করে মাটি রোলার দিয়ে বসানোই হয়নি। এখন সামান্য বৃষ্টিতেই সব ধসে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে মেসার্স সালাম-দুর্গা এন্টারপ্রাইজের মালিক আ. সালাম খান মোবাইল ফোনে কিছুটা উদাসীনতা প্রকাশ করে বলেন: ​”কাজের সঠিক-অঠিক বলতে কিছু নাই। নদীর সাইড বা খালের সাইড ভাঙবেই। একবার, দুইবার, তিনবার ভাঙবে—আমরা তা ঠিক করে দেবো। আমাদের এখনো প্রায় দেড় কোটি টাকা সরকারের কাছে পড়ে রয়েছে। বর্ষার পর রাস্তা ঠিক করে দিলে সরকার বাকি টাকা দেবে।”

​এদিকে শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী তৌহিদ আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, “সড়কটি নদীর পাড়ে দেবে যাওয়ার বিষয়টি আমরা দেখেছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ করে চূড়ান্ত বিল নিয়ে গেলেও তাদের প্রায় ৯০ লাখ টাকা জামানত (সিকিউরিটি মানি) আমাদের কাছে জমা রয়েছে। ওই জামানতের টাকা থেকেই ঠিকাদারকে দিয়ে পুনরায় সড়কটি টেকসইভাবে মেরামত করিয়ে নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা