• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
Headline
​শ্রীপুরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ; তৃতীয় পর্যায়ের কার্ড পেলো ৬শ’ ৮০টি পরিবার ​ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তাকাওয়া বাস-ট্রাক সংঘ.র্ষ, আ.হত ১০ শেরপুর সীমান্তে নালিতাবাড়ী ভারতীয় ইয়াবাসহ ২ চোরাকারবারি আটক শ্রীপুরে বিশ্বকাপ খেলা দেখা নিয়ে দ্ব.ন্দ্বে সেলুন কর্মচারীকে পি.টি.য়ে গু.রু.তর জ.খ.ম ; থানায় অভিযোগ বগুড়ায় ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা; বিএমএসএফের উদ্বেগ প্রকাশ শ্রীপুরে ব.জ্র.পাতে কৃষকের একটি গরুর মৃ.ত্যু শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বাস-মিনিবাস ও কাভার্ডভ্যানের মধ্যে ত্রি.মুখী সং.ঘ.র্ষ শ্রীপুরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন: শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ শ্রীপুরে ট্রাক চালককে পি.টি.য়ে গুরুতর আ.হ.ত, ব্যবসায়ী আ.ট.ক শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশে ময়লার স্তূপে যুবকের ম.র.দে.হ, শরীরে আ.ঘা.তের চিহ্ন

বগুড়ায় ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা; বিএমএসএফের উদ্বেগ প্রকাশ

Reporter Name / ৬৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

বগুড়ায় ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা; বিএমএসএফের উদ্বেগ প্রকাশ

বগুড়ায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নিজ পরিবারের নামে ৩টি ইউনিয়ন পরিষদের নাম মীরা বাড়ি ইউনিয়ন, সীমান্ত ইউনিয়ন এবং দিগন্ত ইউনিয়ন পরিষদ গঠনকে কেন্দ্র করে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ৪ সাংবাদিকের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর এবং সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মামলাটি সঠিক প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তির দাবি করেন। যেন এই মামলায় কোনো সাংবাদিককে অযথা হয়রানি করা না হয়। কেননা, মন্ত্রীর পরিবারের নামে যে তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের নামকরণ করা হয়েছে তা দিনের আলোর মত পরিস্কার। সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের সুযোগ নেই বলে আমরা মনে করি।

আমরা এ-ও লক্ষ্য করেছি, প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে মামলার বাদী হয়েছেন একজন সাংবাদিক ও বগুড়া প্রেস ক্লাবের কর্মকর্তা। বিষয়টি সাংবাদিক সমাজে নানা প্রশ্ন ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া নতুন কিছু নয়, তবে মামলার প্রকৃতি, প্রক্রিয়া এবং আইনি দিক নিয়ে জনমনে যথেষ্ট কৌতূহল ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আমাদের জানামতে, দণ্ডবিধির ৫০০/৫০১ ধারার মানহানি সংক্রান্ত অভিযোগ সাধারণত আদালতের বিচারাধীন বিষয়। এ ধরনের অভিযোগ আদালতে উপস্থাপিত হলে বিজ্ঞ আদালত প্রয়োজনবোধে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কিন্তু আলোচিত ঘটনায় আদালত কর্তৃক থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিক সমাজে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

আমরা বিচার বিভাগের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। তবে একইসঙ্গে মনে করি, সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে গৃহীত যে কোনো পদক্ষেপ যেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং পেশাগত নিরাপত্তাকে অযথা সংকুচিত না করে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোনো মামলাকে হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিশ্বাস করে, কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি থাকলে তার আইনগত প্রতিকার অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু সেই প্রতিকার প্রক্রিয়া যেন ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা এবং আইনের শাসনের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।

আমরা সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের ন্যায্য আইনি অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি এবং একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আইনানুগ নিষ্পত্তি কামনা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা