• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
Headline
গাজীপুরে লংমার্চের পথসভা: ৮ দফা দাবি না মানলে এক দফার হুঁ.শি.য়া.রি জামায়াত আমীরের ​‘মা.দ.ক-স.ন্ত্রা.স.মু.ক্ত কাওরাইদ গড়ার প্রত্যয় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান সিরাজীর’ মা.দ.ক-স.ন্ত্রা.স.মুক্ত শ্রীপুর পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় নাসিম মন্ডলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ও দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন এমপি জীবনের শেষ বয়সে এসে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেন ৭০ বছরের খাতুন বিবি ; ঘরের চাবি তুলে দিলেন এমপি গাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ঘিরে উত্তেজনা,তদন্ত প্রতিবেদনে আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ ; দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে অভিভাবক ও স্থানীয়দের প্রতিবাদ শ্রীপুরে ৫০ পিস ই.য়া.বাসহ এক মা.দ.ক ব্যবসায়ী গ্রে.প্তা.র গাজীপুরের সুটকেস-বস্তাবন্দী লা.শে.র র.হ.স্য উদঘাটন, প্রেমিকসহ গ্রে.প্তা.র-৩ ​“ক্ষমতা নয়, সেবা করতে চাই”—২ নং গাজীপুর ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মনিরুজ্জামান সরকার বিক্রয়বিদ্যার বিবর্তন ও আধুনিক সেলস পেশা নিয়ে অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের বই

​‘মা.দ.ক-স.ন্ত্রা.স.মু.ক্ত কাওরাইদ গড়ার প্রত্যয় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান সিরাজীর’

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

​‘মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত কাওরাইদ গড়ার প্রত্যয় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান সিরাজীর’

গাজীপুর: একটি ইউনিয়ন শুধু রাস্তা-ঘাট, সড়ক কিংবা অবকাঠামোর সমষ্টি নয়; একটি ইউনিয়ন মানে মানুষের নিরাপদ জীবন,তরুণদের সুন্দর ভবিষ্যৎ,অসহায় মানুষের আশ্রয় এবং নাগরিক সেবা পাওয়ার নিশ্চয়তা। এমন একটি জনবান্ধব ও নিরাপদ কাওরাইদ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ৫ নম্বর কাওরাইদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান সিরাজী।

তার প্রত্যাশা-মাদক ও সন্ত্রাসের ছোবল থেকে মুক্ত হবে কাওরাইদ। গরিব-দুঃখী ও অসহায় মানুষ ইউনিয়ন পরিষদে এসে অবহেলার শিকার হবেন না। প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নাগরিক সেবাকে করা হবে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়েছেন গাজীপুর জজ কোর্টের এডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান সিরাজী। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাকে কাওরাইদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে বলে জানা গেছে।

‘প্রত্যাশিত জনপদ গড়তে চাই সৎ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক ও ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব’-এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে তিনি ভোটারদের কাছে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন। তার প্রচারণায় গুরুত্ব পাচ্ছে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আধুনিক নাগরিক সেবা।

গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) কাওরাইদে জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য, কাওরাইদ নিয়ে তার স্বপ্ন ও পরিকল্পনা এবং সাধারণ মানুষের জন্য তার ভাবনার কথা তুলে ধরেন অ্যাডভোকেট শাহজাহান সিরাজী।

‘মানুষের জন্য কাজ করতেই নির্বাচনে এসেছি’
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার উদ্দেশ্য সম্পর্কে শাহজাহান সিরাজী বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা থেকেই নির্বাচনে এসেছেন। একজন জনপ্রতিনিধির মূল দায়িত্ব মানুষের পাশে থাকা এবং এলাকার সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করা। কাওরাইদ ইউনিয়নকে আরও সুন্দর, উন্নত ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি মানুষের কাছে যাচ্ছি নিজের কথা বলার জন্য নয়, বরং তাদের কথা শোনার জন্য। এলাকার মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশাগুলো বুঝে সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করতে চাই।’

মাদকের ছোবল থেকে তরুণদের রক্ষা করতে চান
কাওরাইদকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, মাদক শুধু একজন মানুষকে ধ্বংস করে না; এর প্রভাব পড়ে পুরো পরিবার ও সমাজের ওপর। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তরুণ প্রজন্ম। তাই তরুণদের মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে সামাজিকভাবে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

তার ভাষায়, ‘কাওরাইদকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে চাই। এ কাজ একা কোনো জনপ্রতিনিধির পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’

অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর প্রত্যয়
গরিব-দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে থাকার কথা উল্লেখ করে শাহজাহান সিরাজী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে এসে কোনো মানুষ যেন অবহেলা বা হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে গুরুত্ব দিতে চান তিনি।

সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রকৃতভাবে যারা পাওয়ার যোগ্য, তাদের কাছে সেগুলো পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
‘অসহায় মানুষ যেন মনে না করেন, তার পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই-আমি এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই,’ বলেন তিনি।

কাওরাইদের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু বড় বড় প্রকল্পের কথা বললেই উন্নয়ন হয় না; মানুষের প্রতিদিনের প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করতে হয়।

রাস্তা-ঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, পানি নিষ্কাশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধার উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। ইউনিয়নের কোন এলাকায় কী সমস্যা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

নাগরিক সেবাকে আরও সহজ ও আধুনিক করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে শাহজাহান সিরাজী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ মানুষের সেবার প্রতিষ্ঠান। তাই মানুষ যেন সহজে, স্বচ্ছভাবে এবং হয়রানিমুক্ত পরিবেশে প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে।

প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সেবাকে আরও আধুনিক ও সহজ করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

‘জনগণের টাকায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকতে হবে’
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়ে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ জনগণের প্রতিষ্ঠান। তাই জনগণের প্রতি জনপ্রতিনিধির জবাবদিহিতা থাকা জরুরি। সরকারি বরাদ্দ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের সমস্যা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চান বলেও জানান শাহজাহান সিরাজী।

কাওরাইদের তরুণ সমাজ নিয়ে তার রয়েছে বিশেষ পরিকল্পনা। তিনি বলেন, তরুণরা সমাজের শক্তি। তাদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, শিক্ষা ও বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। পাশাপাশি তরুণরা যাতে দক্ষতা অর্জন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়, সে বিষয়েও যতটা সম্ভব কাজ করার চেষ্টা থাকবে বলে জানান তিনি।

কাওরাইদ ইউনিয়নকে ভবিষ্যতে কেমন দেখতে চান—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহজাহান সিরাজী বলেন, তিনি এমন একটি কাওরাইদ দেখতে চান, যেখানে মানুষ নিরাপদে বসবাস করবে; মাদক ও সন্ত্রাস থাকবে না; অসহায় মানুষ সহযোগিতা পাবেন এবং নাগরিক সেবা হবে সহজ ও জনবান্ধব।

তার ভাষায়, ‘আমি এমন একটি কাওরাইদ চাই, যেখানে একজন সাধারণ মানুষ তার সমস্যা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে এসে মনে করবেন-এটি তারই প্রতিষ্ঠান। উন্নয়ন ও জনসেবার মাধ্যমে একটি আধুনিক, সুন্দর ও মানবিক কাওরাইদ গড়ে তুলতে চাই।’
দল-মত নির্বিশেষে সবার পাশে থাকার অঙ্গীকার
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তিনি জনগণের কাছে নিজের পরিকল্পনা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরছেন। জনগণ তাকে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দিলে তাদের সঙ্গে নিয়ে কাওরাইদের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান।

দল-মত নির্বিশেষে ইউনিয়নের সব মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে শাহজাহান সিরাজী বলেন, জনপ্রতিনিধির কাছে মানুষ পরিচয়ের কারণে নয়, প্রয়োজনের কারণে আসেন। তাই মানুষের সেবা করার ক্ষেত্রে কোনো বিভাজন রাখতে চান না তিনি।

শাহজাহান সিরাজীর শিক্ষাজীবন শুরু হয় ধলদাপাড়া রিয়াজ উদ্দিন দাখিল মাদরাসায়। সেখান থেকে ১৯৯৭ সালে দাখিল এবং গয়েশ্বপুর দারুল উলুম ফাজিল মাদরাসা থেকে ১৯৯৯ সালে আলিম পাস করেন।
এরপর আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ২০০৩ সালে অনার্স এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৪ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি ময়মনসিংহ টিটিসি কলেজ থেকে কম্পিউটার ডিপ্লোমা এবং উত্তরা থেকে ডিপ্লোমা অব গার্মেন্টস ম্যানেজমেন্ট সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে জাতীয় আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।

শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি গাজীপুর জজ কোর্টের এডিশনাল পিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শাহজাহান সিরাজীর বাড়ি শ্রীপুর উপজেলার ধামলই গ্রামে। তার পিতা আলহাজ্ব মাওলানা মোহাম্মদ হাবিজ উদ্দিন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। বর্তমানে তিনি পল্লী চিকিৎসক ও কাজী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মা মোছা. পারুল আক্তার গৃহিণী।

তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও শিক্ষকতা, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন পেশায় যুক্ত থাকার কথা তিনি জানিয়েছেন।
জনসেবা ও উন্নয়নকে সামনে রেখে নির্বাচনী পথচলা
মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ, গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তরুণদের ভবিষ্যৎ গড়া, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়া, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং আধুনিক নাগরিক সেবা-এসব প্রতিশ্রুতিকে সামনে রেখে কাওরাইদে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান সিরাজী।

তার ভাষায়, কাওরাইদের উন্নয়ন কোনো একক ব্যক্তির কাজ নয়। মানুষের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি সুন্দর জনপদ গড়ে তোলা সম্ভব। জনগণের দায়িত্ব পেলে তাদের সঙ্গে নিয়েই সেই কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা