• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
Headline
গফরগাঁওয়ে ছেলেকে জি.ম্মি করে প্রবাসী স্ত্রীকে দ.ল.ব.দ্ধ ধ.র্ষ.ণে.র অভিযোগ, গ্রে.প্তা.র ১ শ্রীপুরে ৮৮ কেজি গাঁ.জা.সহ নারী মা.দ.ক কারবারি গ্রে.ফ.তা.র গাজীপুরে লংমার্চের পথসভা: ৮ দফা দাবি না মানলে এক দফার হুঁ.শি.য়া.রি জামায়াত আমীরের ​‘মা.দ.ক-স.ন্ত্রা.স.মু.ক্ত কাওরাইদ গড়ার প্রত্যয় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান সিরাজীর’ মা.দ.ক-স.ন্ত্রা.স.মুক্ত শ্রীপুর পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় নাসিম মন্ডলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ও দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন এমপি জীবনের শেষ বয়সে এসে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেন ৭০ বছরের খাতুন বিবি ; ঘরের চাবি তুলে দিলেন এমপি গাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ঘিরে উত্তেজনা,তদন্ত প্রতিবেদনে আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ ; দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে অভিভাবক ও স্থানীয়দের প্রতিবাদ শ্রীপুরে ৫০ পিস ই.য়া.বাসহ এক মা.দ.ক ব্যবসায়ী গ্রে.প্তা.র গাজীপুরের সুটকেস-বস্তাবন্দী লা.শে.র র.হ.স্য উদঘাটন, প্রেমিকসহ গ্রে.প্তা.র-৩

ভবন ও আসবাবপত্র আছে, নেই চিকিৎসক: শ্রীপুরে সাড়ে ৫ কোটি টাকার মা ও শিশু কেন্দ্র চালু হয়নি ২ বছরেও

Reporter Name / ১০৯ Time View
Update : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

ভবন ও আসবাবপত্র আছে, নেই চিকিৎসক: শ্রীপুরে সাড়ে ৫ কোটি টাকার মা ও শিশু কেন্দ্র চালু হয়নি ২ বছরেও

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে সাড়ে ৫কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত, দমদমা ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে ২ বছর আগে। প্রশাসনিক অনুমতি না থাকায় আসছে না বরাদ্দ, দেওয়া যাচ্ছে না জনবল নিয়োগ। স্থানীয়দের দান করা জমিতে প্রায় সাড়ে ৫কোটি টাকার ভবন নির্মাণ হলেও চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকাবাসী। প্রতিদিনই আশপাশের এলাকা থেকে সেবা নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা। দীর্ঘ সময় অযত্নে অবহেলায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে ১০ শয্যা হাসপাতালে বিভিন্ন আসবাবপত্র।

খোঁজ নিয়ে জানাযায় গর্ভবতী মা, প্রসূতি ও নবজাতক শিশুর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমানো। এর মাধ্যমে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং টিকাদান কর্মসূচি সফল করার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের দমদমা গ্রামে ২০২২ সালে নির্মাণ করা হয়েছে দমদমা ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র। অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধাসহ কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০২৪ সালে। এতে স্থাপন করা হয়েছে রোগীর বেড, জেনারেটর, এসি, ফ্যান, চেয়ার-টেবিল সহ আনুসাঙ্গিক আসবাবপত্র।

স্থানীয়দের দান করা ৪৩ শতাংশ জমির উপর ৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটির নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। ২০২৪ সালে হাসপাতালটি স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হ্যাভেন এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স রুপালী এন্টারপ্রাইজ। স্থানীয়রা বলছেন আমরা নিজেদের জমি দান করেছি হাসপাতালের জন্য, আমাদের উদ্দেশ্য ছিলো এর মাধ্যমে আশপাশের মানুষ উপকৃত হবে। এখন অযত্ন আর অবহেলায় ভবন এবং এর ভেতরে রাখা সরঞ্জামগুলো নষ্ট হতে শুরু করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস ছাত্তার বলেন, আমাদের গ্রামের কয়েকজন মিলে হাসপাতাল নির্মাণের জন্য ৪৩ শতাংশ জমি দান করি। এখানে আধুনিক ভবনসহ সবকিছু হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত চিকিৎসকের দেখা পেলাম না। কি কারণে চালু হচ্ছে না হাসপাতালটি সেটি আমাদের জানা নেই। এখন আমাদের গাজীপুর গিয়ে চিকিৎসা করাতে হয়। যা অত্যান্ত ব্যয়বহুল এবং ভোগান্তি। এই হাসপাতালটি চালু হলে আমরা সহজে এবং কম খরচে চিকিৎসা সেবা নিতে পারতাম। আমরা চাই সরকার দ্রুত এই হাসপাতালটি চালু করা হোক।

দমদমা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, হাসপাতালটি চালু হলে আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ খুব সহজে চিকিৎসা সেবা নিতে পারতো। আমাদের কপাল ভালো না। এত সুন্দর আধুনিক ভবন হলো। সমস্ত আসবাবপত্র আসলো। ১০ শয্যা হাসপাতালের যা দরকার সব হলো। তবুও হাসপাতালটি চালু হচ্ছে না।

স্থানীয় বাসিন্দা মোতাহার হোসেন পালোয়ান বলেন, আমাদের গ্রামের মানুষ বড় আশা নিয়ে এই হাসপাতালে জমি দান করছিলেন। কিন্তু তাদের আশায় গুড়ে বালি। এই হাসপাতালটি চালু হলে দমদমা, নলগাও, চিনাশুকানিয়া, দরপাড়া সহ আশপাশের ২০টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ হাতের নাগালে চিকিৎসা সেবা পেতো। সরকারের কাছে দাবি দ্রুত যেন হাসপাতালটি চালু হয়।

হাসপাতালটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা সহকারী নার্সিং এটেন্ডেন্ট জোবাইদা আক্তার রিমা বলেন, তিনি এখানে ডেপুটেশনে রয়েছে তবে বিগত দুই বছরের বেশি সময় যাবত তিনি কোন বেতন-ভাতা না পাওয়ায় এক ধরনের মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এত বড় হাসপাতালে থাকাকে তিনি অনিরাপদ মনে করছেন।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর গাজীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী শিহাব উদ্দিন জানান, দমদমা গ্রামের ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি নির্মাণ ব্যয় ছিল ৫কোটি ৩৮ লাখ টাকা। নির্মাণ কাজ শেষ হওয়া পর এটি ২০২৪ সালের জুন মাসে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের কমিটির মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ পরিচালক আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নুরী বলেন, প্রশাসনিক অনুমতি না থাকায় হাসপাতালটি চালু করা যাচ্ছে না। এই বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে অবহিত করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা