• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
Headline
শেরপুরের ঝিনাইগাতীর এ আরপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন শ্রীপুরে পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮৪ পিস ই.য়া.বা.সহ ৫ মা.দ.ক ব্যবসায়ী গ্রে.ফ.তা.র মাদক,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ নির্মূলে সামাজিক আন্দোলনের বিকল্প নেই-এসপি গাজীপুর শ্রীপুরে নিখোঁজের ৭ ঘণ্টা পর বদ্ধ জলাশয় থেকে ২ শি.শু.র ম.র.দে.হ উদ্ধার দুই বছরের য.ন্ত্র.ণা শেষে হাসপাতালের বেডে ফালু মিয়ার মুখে হাসি শ্রীপুরে ওষুধ ব্যবসায়ীকে নি.র্যা.ত.ন ও চাঁ.দা.বা.জির অ.ভি.যো.গে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মা.ম.লা, দল থেকে বহিষ্কার ​শ্রীপুরে মাওনা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক নেতার বহিষ্কার ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান শ্রীপুরে বিএনপি নেতা কালাম মিয়ার বিরুদ্ধে ফেসবুকে অ.প.প্র.চার: সংবাদ সম্মেলনে প্র.তি.বাদ শ্রীপুরে ১০০ পরিবারের ভিটেমাটি দ.খ.লে.র চেষ্টার প্র.তি.বা.দে মানববন্ধন শ্রীপুরে পুকুরে বি.ষ.প্র.য়োগে ১৬ হাজার মাছ নি.ধ.ন : ১২ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি

শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের তৃতীয় দফা গণনায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা

Reporter Name / ১১৫ Time View
Update : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের তৃতীয় দফা গণনায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা

মো. নাসির, নিউ জার্সি (যুক্তরাষ্ট্র) বিশেষ প্রতিনিধি:

সিলেটের ঐতিহাসিক হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের তৃতীয় দফা গণনায় নগদ ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া গেছে। ১৫ আগস্ট দানবাক্স খোলার পর প্রকাশ্য গণনায় এই বিপুল পরিমাণ অর্থের হিসাব পাওয়া যায়।

মাজারের দানের অর্থের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সারওয়ার আলমের নেওয়া উদ্যোগটি ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে। দানের টাকা প্রকাশ্যে গণনা ও হিসাবের আওতায় আনার সিদ্ধান্তকে অনেকেই স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

গত ২২ জুন দানবাক্স বসানোর মাত্র চার দিন পর প্রথম দফার গণনায় পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৫৪৯ টাকা। এরপর ১১ জুলাই, ১৮ দিন পর দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। সর্বশেষ ১৫ আগস্ট, ৩৪ দিন পর তৃতীয় দফায় পাওয়া গেল ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা।

এভাবে প্রতিটি দফায় দানের অর্থ প্রকাশ্যে গণনা ও হিসাব করার উদ্যোগ মাজারের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আস্থাও আরও শক্তিশালী করতে পারে।

সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের এই উদ্যোগ বিশেষভাবে প্রশংসার দাবি রাখে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মানুষের দান করা অর্থের যথাযথ হিসাব নিশ্চিত করা এবং তা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের পথ সুগম করার ক্ষেত্রে তাঁর নেওয়া পদক্ষেপ একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।

এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো—এই বিপুল অর্থ স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সঠিক প্রক্রিয়ায় মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা। অসহায় মানুষের সহায়তা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য মানবিক উদ্যোগে অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নিয়মিত হিসাব প্রকাশ করা হলে দাতাদের আস্থা আরও বাড়বে।

স্বচ্ছতা শুধু টাকা গণনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; দানের অর্থ কোথায়, কীভাবে এবং কার কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে—সেটিও জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরাই হবে এই উদ্যোগের প্রকৃত সাফল্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা